প্রাথমিক প্রধান শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্ন সমাধান-২০১২ (ক্যামেলিয়া)
পরীক্ষার তারিখ : ১২ অক্টোবর ২০১২
সময়: ৮০ মিনিট
পূর্ণমান: ৮০
মোট প্রশ্ন সংখ্যা : ৮০
কোড : ক্যামেলিয়া
সেট নম্বর: ০১
বি: দ্র: প্রত্যেক প্রশ্নের মান সমান । প্রতিটি সঠিক উত্তরের জন্য ১ নম্বর প্রদান করা হবে এবং প্রতিটি ভুল উত্তরের জন্য ০.২৫ নম্বর কর্তন করা হবে।
১. ‘বনি আদম’ কাব্যগ্রন্থটির রচয়িতা কে ?
- গোলাম মোস্তফা
- কাজী নজরুল ইসলাম
- যতীন্দ্রমোহন বাগচী
- শেখ ফজলল করিম
ব্যাখ্যা: ‘বনি আদম’ গোলাম মোস্তফার বিখ্যাত কাব্যগ্রন্হ। হাসনাহেনা, সাহারা, কিশোর, কাব্য কাহিনী তাঁর কয়েকটি উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থ ।
২. ‘হাজার বছর ধরে’ উপন্যাসটি কার রচনা ?
- ফজল শাহাবুদ্দীন
- শঙ্কর
- আনিস চৌধুরী
- জহির রায়হান
ব্যাখ্যা: ‘হাজার বছর ধরে’ জহির রায়হানের উল্লেখযোগ্য উপন্যাস। এটি একটি কালজয়ী সামাজিক উপন্যাস। এর উল্লেখযোগ্য চরিত্র বুড়ো মকবুল, টুনি, মন্তু, আবুল, গনু মোল্লা, হালিমা।
৩. ‘রমনা পার্কে’ নাটকটি কে রচনা করেছেন ?
- মুনীর চৌধুরী
- শাহাদৎ হোসেন
- ড. নীলিমা ইব্রাহীম
- সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ্
ব্যাখ্যা: নীলিমা ইব্রাহীমের কয়েকটি উল্লেখযোগ্য নাটক: রমনা পার্কে, দুয়ে দুয়ে চার, যে অরণ্যে আলো নেই প্রভৃতি।
৪. নিচের কোনটি কর্মধারয় সমাস ?
- খাসমহল
- রাজর্ষি
- আকণ্ঠ
- মৌলভী সাহেব
ব্যাখ্যা: “খাসমহল” এবং “রাজর্ষি” উভয় শব্দই কর্মধারয় সমাসের উদাহরণ।
খাসমহল: খাস যে মহল (বিশেষণ ও বিশেষ্যের সমাস)
রাজর্ষি: রাজা যিনি ঋষিও তিনি (বিশেষ্য ও বিশেষ্যের সমাস)
কর্মধারয় সমাসে বিশেষণ বা বিশেষণভাবাপন্ন পদের সাথে বিশেষ্য বা বিশেষ্যভাবাপন্ন পদের সমাস হয় এবং পরপদের অর্থই প্রধান রূপে প্রতীয়মান হয়। তাই, এই দুটি শব্দই কর্মধারয় সমাসের অন্তর্ভুক্ত।
খাসমহল: খাস যে মহল (বিশেষণ ও বিশেষ্যের সমাস)
রাজর্ষি: রাজা যিনি ঋষিও তিনি (বিশেষ্য ও বিশেষ্যের সমাস)
কর্মধারয় সমাসে বিশেষণ বা বিশেষণভাবাপন্ন পদের সাথে বিশেষ্য বা বিশেষ্যভাবাপন্ন পদের সমাস হয় এবং পরপদের অর্থই প্রধান রূপে প্রতীয়মান হয়। তাই, এই দুটি শব্দই কর্মধারয় সমাসের অন্তর্ভুক্ত।
৫. তৎপুরুষ সমাসে কোন পদ প্রধান ?
- পরপদ
- পূর্বপদ
- অন্যপদ
- উভয়পদ
ব্যাখ্যা: তৎপুরুষ, কর্মধারয় এবং দ্বিগু সমাসে পরপদ প্রধান। দ্বন্দ্ব সমাসে উভয়পদ প্রধান। অব্যয়ীভাব সমাসে পূর্বপদ প্রধান। বহুব্রীহি সমাসে কোনো পদই প্রধান নয়, অন্য কোনো পদ প্রধান।
৬. “ধন হইতে সুখ হয় না” বাক্যের নিম্নরেখ শব্দটি কোন কারকে কোন বিভক্তি ?
- কর্মে ৫মী
- করণে ৩য়া
- অপাদানে ৫মী
- কর্তায় ৭মী
ব্যাখ্যা: ক্রিয়াকে ‘কোথা হতে’ বা ‘কোথা থেকে’ দিয়ে প্রশ্ন করলে এর উত্তরে অপাদান কারক পাওয়া যায়। যেমন: ‘কোথা হতে’ সুখ হয় না; এর উত্তর ধন হতে সুখ হয় না তাই, এটি অপাদান কারক। ‘হইতে’ বিভক্তি থাকায় ৫মী বিভক্তি।
৭. “আজকে নগদ কাল ধার” বাক্যের নিম্নরেখ শব্দটি কোন কারকে কোন বিভক্তি ?
- অধিকরণে ২য়া
- অপাদানে ৫মী
- কর্তায় ২য়া
- করণে ২য়া
ব্যাখ্যা: ক্রিয়া সম্পাদনের কাল এবং আঁধারকে অধিকরণ কারক বলে।
৮. কোনটি শুদ্ধ বানান ?
- গননা
- গনণা
- গণণা
- গণনা
ব্যাখ্যা: সঠিক বানানটি হলো: গণনা। “গণনা” শব্দটিতে “ণ” ব্যবহৃত হয়, কারণ এটি একটি তৎসম শব্দ এবং এখানে “ণ” ব্যবহারের বিধি প্রযোজ্য।
৯. কোনটি শুদ্ধ বানান ?
- কৃষিজিবি
- কৃষিজীবী
- কৃষিজীবি
- কৃষিজিবী
ব্যাখ্যা: সঠিক বানানটি হলো: কৃষিজীবী। বাংলা বানানের নিয়ম অনুযায়ী, “জীবী” শব্দটি যখন কোনো শব্দের শেষে যুক্ত হয়, তখন তা “ঈ-কার” দিয়ে লেখা হয়। যেমন: শ্রমজীবী, চাকরিজীবী, পেশাজীবী, কৃষিজীবী ইত্যাদি।
১০. ‘বাতাস’ এর সমার্থক শব্দ নয়–
- পবন
- অনিল
- প্রসূন
- বায়ু
ব্যাখ্যা: বাতাস এর সমার্থক শব্দ: পবন, অনিল, বায়ু, হাওয়া প্রভৃতি।
১১. ‘অনুগ্রহ’ এর বিপরীতার্থক শব্দ–
- নিগ্রহ
- দয়া
- বিগ্রহ
- প্রতিগ্রহ
ব্যাখ্যা: কিছু বিপরীতার্থক শব্দ: অনুগ্রহ → নিগ্রহ; দয়া → নিষ্ঠুরতা; দান → গ্রহণ; বন্ধন →মুক্তি।
১২. কোন বাগধারাটির ‘স্বতন্ত্র’ অর্থ প্রকাশিত ?
- আদায় কাঁচকলায়
- সাপে নেউলে
- দা কুমড়া
- সাতেও না পাঁচেও না
ব্যাখ্যা: ‘সাতেও না পাঁচেও না’ বাগধারাটির অর্থ = নির্লিপ্ততা অন্যদিকে আদায়-কাঁচকলায়, সাপে-নেউলে, দা-কুমড়া বাগধারা তিনটিরই অর্থ শত্রুতা বা ভীষণ শত্রুতা। তাই ‘সাতেও না পাঁচেও না’ স্বতন্ত্র বাগধারা।
১৩. ‘তাসের ঘর’ এর অর্থ কী ?
- বিশৃঙ্খলা
- এলোমেলো
- ক্ষণস্থায়ী
- তাস খেলার ঘর
ব্যাখ্যা: তাসের ঘরের অর্থ-ক্ষণস্থায়ী। যেমন- জীবন তো তাসের ঘরের মতো, অনিশ্চয়তা সর্বত্র।
১৪. ‘আশ্চর্য’ এর সন্ধি বিচ্ছেদ–
- অ + আর্চ
- আ + চার্য
- অতি + চার্য
- আশ + চর্য
ব্যাখ্যা: সঠিক উত্তর নেই। ‘আশ্চর্য’ নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধি। আশ্চর্য এর সন্ধি বিচ্ছেদ আশ্চর্য = আ + চর্য ।
১৫. ‘ঢাকের কাঠি’ বাগধারার অর্থ–
- তোষামুদে
- সাহায্যকারী
- বাদক
- স্বাস্থ্যহীন লোক
ব্যাখ্যা: কিছু গুরুত্বপূর্ণ বাগধারা: ‘ঢাকের কাঠি’ বাগধারা অর্থ তোষামুদে বা মোসাহেব। এলোপাতাড়ি → বিশৃঙ্খলা; কাঁচা পয়সা → নগদ উপার্জন; কথার কথা→গুরুত্বহীন কথা।
১৬. ‘You are not amenable — reason.’ বাক্যের শূন্যস্থানে সঠিক শব্দ বসবে–
- from
- into
- of
- to
ব্যাখ্যা: Amenable to– বাধ্য, কৈফিয়ত দিতে বাধ্য, সহজে অভিভূত, নমনীয়, এখতিয়ারভুক্ত।
১৭. ‘If we had a boat, we — the river.’ বাক্যের শূন্যস্থানে সঠিক শব্দ বসবে–
- will cross
- would be crossing
- would cross
- would make crossed
ব্যাখ্যা: Conditional Sentence এর নিয়মানুসারে If এর পর Past Indefinite Tense থাকলে অন্য অংশটিতে প্রথম Subject; অতপর; would/could/might এবং verb এর base form হয় ।
১৮. ‘Dark horse’ এর অর্থ হচ্ছে–
- Dark coloured horse
- A person about whose past nothing is known
- Arabean horse
- Large horse
ব্যাখ্যা: Dark horse– অপ্রত্যাশিত বা অজ্ঞাত ব্যক্তি; Dark coloured horse– কালো বা গাঢ় রঙের ঘোড়া; A person about whose past nothing is known– যে ব্যক্তির অতীতের কোন পরিচয় জানা যায় নি; Arabian Horse– আরবের ঘোড়া; Large Horse– বিশাল ঘোড়া ।
১৯. ‘Tooth and nail’ এর অর্থ হচ্ছে–
- Beautiful
- Precise
- Incompletely
- Completely
ব্যাখ্যা: Tooth and nail – পুরোপুরি, পরিপূর্ণভাবে; Beautiful – সুন্দর; Precise – সুনির্দিষ্ট, যথাযথ; Incompletely – অসম্পূর্ণভাবে; Completely – পরিপূর্ণভাবে, পুরোপুরি ।
২০. Synonym of the word ‘Encounter’ is–
- Battle
- Part
- Harmony
- Concord
ব্যাখ্যা: Encounter – বিরোধিতা করা, দুপক্ষের মধ্যে প্রবল সংঘর্ষ; Battle – বিরোধিতা করা, যুদ্ধ করা, দুপক্ষের মধ্যে প্রবল সংঘর্ষ; Part – অংশ; Harmony – সংহতি, ঐক্য, মতের মিল; Concord – ঐক্য, মিল ।
২১. Antonym of the word ‘Doctrine’ is–
- Belief
- Faith
- Error
- Theory
ব্যাখ্যা: Doctrine – তত্ত্ব, বিশ্বাস, মতবাদ; Belief – বিশ্বাস, আস্থা, প্রত্যয়; Faith – বিশ্বাস, সততা, নিষ্ঠা; Error – ভুল, ভুল বিশ্বাস, ভ্রান্ত মতবাদ; Theory – তত্ত্ব, মতবাদ।
২২. কোন বানানটি শুদ্ধ ?
- Embarrasment
- Embarrassment
- Embarasment
- Embarassment
ব্যাখ্যা: Embarrassment– বিব্রত অবস্থা, বিভ্রান্তি।
২৩. কোনটি শুদ্ধ বানান ?
- Comission
- Commision
- Comision
- Commission
ব্যাখ্যা: Commission– কর্মসম্পাদনের তদন্তকার্যে নিযুক্ত ব্যক্তি বা ব্যক্তিবর্গ।
২৪. নিচের কোন বাক্যটি শুদ্ধ ?
- Sohel is taller than I
- Sohel is taller than me
- I did not think it was her
- She is out of her danger
ব্যাখ্যা: I did not think it was her বাক্যটিতে her এর পরিবর্তে she হবে। Sohel is taller than me-বাক্যটিতে ‘than’ এর পর objective case ‘me’ এর পরিবর্তে nominative case ‘I’ ব্যবহৃত হয়, Clause থাকায় দুটোর মাঝখানে ‘that’ conjunction থাকলে অথবা Clause দুটোর মাঝখানে semicolon (;) থাকলে বাক্যগুলো সঠিক হতো। অন্যদিকে ‘Sohel is taller than I’ সঠিক উত্তর। কেননা দুই জনের মধ্যে তুলনায় than এরপর pronoun এর Subject form বসে। She is out of her danger বাক্যটিতে her ব্যবহার হবে না ।
২৫. নিচের কোন বাক্যটি শুদ্ধ ?
- She has got cent percent marks
- You are a great thief
- Time and tide waits for none
- Has he got the information ?
ব্যাখ্যা: She has got cent percent marks বাক্যটিতে ‘She has secured Percent marks’-লিখলে সঠিক হতো। You are a great thief বাক্যটিতে ‘great’ এর পরিবর্তে ‘notorious’ লিখলে সঠিক হতো। Time and tide waits for none ব্যাকরণগত সঠিক, যদিও প্রবাদানুসারে হবার কথা– Time and tide wait for none. এবং Has he got the information? বাক্যটি সবদিক থেকে সঠিক ।
২৬. The Manager said to the strikers, “Resume your Work.” বাক্যের Indirect speech হচ্ছে–
- The manager requested the strikers to resume their work
- The manager ordered the strikers to resume their work
- The manager told the strikers to resume their work
- The manager requested to the strikers to resume their work
ব্যাখ্যা: Imperative sentence কে Indirect করার ক্ষেত্রে আদেশ বুঝালে Reporting verb হিসেবে ‘ordered’ বাসাতে হয় এবং Reported speech এ Reported verb এর পূর্বে ‘to’ বসে।
২৭. He said to me, “Which book do you want?” বাক্যের indirect speech হচ্ছে–
- He said to me which book I wanted
- He asked to me which book I wanted
- He said me which book I wanted
- He asked me which book I wanted
ব্যাখ্যা: প্রশ্নঃবোধক বাক্য থাকলে said-এর পরিবর্তে asked বসে, কিন্তু asked এর পরে to বসে না। Which অপরিবর্তিত থাকে এবং Tense –এর corresponding form হয়।
২৮. The pill tastes bitter’ বাক্যের passive voice হচ্ছে–
- The pill is bitter when it is tasted
- The pill is bitter when it tastes
- The pill was bitter when it tasted
- The pill was bitter it was tasted
ব্যাখ্যা: এখানে, quasi passive verb (half passive) কে passive voice এ রূপান্তরের সময় দুইটি Rule অনুসরণ করতে হয়। Rule: 1. ‘Sub + Be verb + Complement + when (if) + it/they 2. + Be verb + verb এর past participle 3. Sub + Be verb + verb এর past participle + Complement Example: Active: The pill tastes bitter. Passive: The pill is bitter when it is tasted. (Rule: 1) Passive: The pill is tastes bitter.(Rule: 2)
২৯. ‘The bird sings sweetly.’ বাক্যে ‘sweetly’ শব্দটি হচ্ছে–
- A verb
- An adjective
- An adverb
- A conjunction
ব্যাখ্যা: ‘sweetly’ শব্দটি একটি Adverb । যেসব word দ্বারা noun বা pronoun ব্যতীত অন্য কোন শব্দ বা বাক্য বা বাক্যাংশকে modify করে সেগুলোকে Adverb বলে। এখানে ‘sweetly’ শব্দটি verb কে modify করছে বিধায় এটি Adverb।
৩০. ‘Mother loves me’ বাক্যে ‘loves’ শব্দটি কিসের উদাহরণ ?
- Intransitive verb
- Transitive verb
- Simple verb
- Auxilliary verb
ব্যাখ্যা: Transitive verb- সমাপিকা ক্রিয়া যা সম্পূর্ণ রূপে মনোভাব প্রকাশ করে বা অর্থ প্রকাশ করে। Transitive verb এ object প্রয়োজন হয়। Intransitive verb-অসমাপিকা ক্রিয়া যা সম্পূর্ণ বাক্যে অর্থ প্রকাশ করে না। Intransitive verb এ object প্রয়োজন নাও হতে পারে ।
৩১. কোনো ত্রিভুজের তিনটি বাহুকে একইভাবে বর্ধিত করলে উৎপন্ন বহিঃস্থ কোণ তিনটির সমষ্টি–
- ১৮০°
- ২৭০°
- ৩৬০°
- ৫৪০°
ব্যাখ্যা: ত্রিভুজের তিনটি বাহুকে একইভাবে বর্ধিত করলে উৎপন্ন প্রতিটি বহিঃস্থ কোণ = ১২০°
যার সমষ্টি = ১২০° +১২০° +১২০° = ৩৬০°
যার সমষ্টি = ১২০° +১২০° +১২০° = ৩৬০°
৩২. একটি সমকোণী ত্রিভুজের সমকোণ সংলগ্ন বাহুদ্বয় যথাক্রমে ৩ ও ৪ সে.মি. হলে এর অতিভুজের মান কত ?
- ৫ সে.মি.
- ৬ সে.মি.
- ৭ সে.মি.
- ৮ সে.মি.
ব্যাখ্যা: পীথাগোরাসে উপপাদ্য হতে,
(অতিভুজ)² = (ভুমি)² + (লম্ব)²
বা, (অতিভুজ)² = (৩)² + (৪)²
বা, (অতিভুজ)² = ৯ + ১৬
বা, (অতিভুজ)² = ২৫
বা, (অতিভুজ)² = ৫²
বা, অতিভুজ = ৫
(অতিভুজ)² = (ভুমি)² + (লম্ব)²
বা, (অতিভুজ)² = (৩)² + (৪)²
বা, (অতিভুজ)² = ৯ + ১৬
বা, (অতিভুজ)² = ২৫
বা, (অতিভুজ)² = ৫²
বা, অতিভুজ = ৫
৩৩. 9a² + 16b² রাশিটির সাথে কোনটি যোগ করলে পূর্ণ বর্গ হবে ?
- 12ab
- 24ab
- 36ab
- 144ab
ব্যাখ্যা: 9a² + 16b²
= (3a)² + 2.3a.4b + (4b)² – 24ab
= (3a + 4b)² -24ab
= (3a)² + 2.3a.4b + (4b)² – 24ab
= (3a + 4b)² -24ab
৩৪. x = 2, y = 3 হলে, 2x + 4y এর সাথে 2x² + x – y যোগ করলে যোগফল কত হবে ?
- 5
- –7
- –8
- 23
ব্যাখ্যা: 2x + 4y + 2x² + x – y
= 2.2 + 4.3 + 2.2² + 2 – 3
= 4 + 12 + 8 + 2 – 3
= 23
= 2.2 + 4.3 + 2.2² + 2 – 3
= 4 + 12 + 8 + 2 – 3
= 23
৩৫. এক ডজন আম ৬০ টাকায় ক্রয় করে হালি কত টাকায় বিক্রয় করলে ১০% লাভ হবে ?
- ২২ টাকা
- ২৫ টাকা
- ১৫ টাকা
- ১২ টাকা
ব্যাখ্যা: আমরা জানি, ১ ডজন = ৩ হালি
৩ হালির ক্রয়মূল্য = ৬০ টাকা
১ হালির ক্রয়মূল্য = ৬০÷৩ = ২০ টাকা
এখন, ১০% লাভে বিক্রয়মূল্য হবে
= ২০ + ২০ এর ১০%
= ২০ + ২০ ×
= ২০ + ২
= ২২ টাকা।
৩ হালির ক্রয়মূল্য = ৬০ টাকা
১ হালির ক্রয়মূল্য = ৬০÷৩ = ২০ টাকা
এখন, ১০% লাভে বিক্রয়মূল্য হবে
= ২০ + ২০ এর ১০%
= ২০ + ২০ ×
= ২০ + ২
= ২২ টাকা।
৩৬. একজন দালাল দুটি পুরোনো গাড়ি প্রত্যেকটি ৩৯,১০০ টাকায় বিক্রয় করেন। প্রথমটিতে তার ১৫% লাভ হয় কিন্তু দ্বিতীয়টিতে ৭.৫% ক্ষতি হয়। মোটের উপর তার কত টাকা লাভ হয় ?
- ২০০০ টাকা
- ১৯০০ টাকা
- ১৯২৯.৭৩ টাকা
- ১২০০ টাকা
ব্যাখ্যা: প্রথমটিতে তার ১৫% লাভে ক্রয়মূল্য ১০০ টাকা হলে বিক্রয়মূল্য = ১০০+১৫ = ১১৫ টাকা
বিক্রয়মূল্য ১১৫ টাকা হলে ক্রয়মূল্য = ১০০ টাকা
বিক্রয়মূল্য ১ টাকা হলে ক্রয়মূল্য = টাকা
বিক্রয়মূল্য ৩৯১০০ টাকা হলে ক্রয়মূল্য = = ৩৪০০০ টাকা
কিন্তু দ্বিতীয়টিতে ৭.৫% ক্ষতিতে ক্রয়মূল্য ১০০ টাকা হলে বিক্রয়মূল্য = ১০০-৭.৫ = ৯২.৫ টাকা
বিক্রয়মূল্য ৯২.৫ টাকা হলে ক্রয়মূল্য = ১০০ টাকা
বিক্রয়মূল্য ১ টাকা হলে ক্রয়মূল্য = টাকা
বিক্রয়মূল্য ৩৯১০০ টাকা হলে ক্রয়মূল্য = = ৪২২৭০.২৭ টাকা
মোট ক্রয়মূল্য = ৩৪০০০ + ৪২২৭০.২৭ = ৭৬২৭০.২৭ টাকা
মোট বিক্রয়মূল্য = ৩৯১০০×২ = ৭৮২০০ টাকা
মোট লাভ = ৭৮২০০ – ৭৬২৭০.২৭ = ১৯২৯.৭৩ টাকা
বিক্রয়মূল্য ১১৫ টাকা হলে ক্রয়মূল্য = ১০০ টাকা
বিক্রয়মূল্য ১ টাকা হলে ক্রয়মূল্য = টাকা
বিক্রয়মূল্য ৩৯১০০ টাকা হলে ক্রয়মূল্য = = ৩৪০০০ টাকা
কিন্তু দ্বিতীয়টিতে ৭.৫% ক্ষতিতে ক্রয়মূল্য ১০০ টাকা হলে বিক্রয়মূল্য = ১০০-৭.৫ = ৯২.৫ টাকা
বিক্রয়মূল্য ৯২.৫ টাকা হলে ক্রয়মূল্য = ১০০ টাকা
বিক্রয়মূল্য ১ টাকা হলে ক্রয়মূল্য = টাকা
বিক্রয়মূল্য ৩৯১০০ টাকা হলে ক্রয়মূল্য = = ৪২২৭০.২৭ টাকা
মোট ক্রয়মূল্য = ৩৪০০০ + ৪২২৭০.২৭ = ৭৬২৭০.২৭ টাকা
মোট বিক্রয়মূল্য = ৩৯১০০×২ = ৭৮২০০ টাকা
মোট লাভ = ৭৮২০০ – ৭৬২৭০.২৭ = ১৯২৯.৭৩ টাকা
৩৭. স্রোতের প্রতিকূলে যেতে যে সময় লাগে অনুকুলে যেতে তার অর্ধেক সময় লাগে। যাতায়াতে যদি সময় লাগে ১২ ঘণ্টা, তাহলে স্রোতের অনুকূলে যেতে সময় লাগে-
- ৬ ঘণ্টা
- ৪ ঘন্টা
- ১০ ঘণ্টা
- ৮ ঘণ্টা
ব্যাখ্যা: ধরি, স্রোতের প্রতিকূলে যেতে যে সময় লাগে = ২ক
স্রোতের অনুকূলে যেতে যে সময় লাগে = ক
সুতরাং, যাতায়াতে মোট ২ক + ক = ৩ক ঘন্টা সময়
প্রশ্নমতে, ৩ক = ১২ ঘণ্টা
ক = ৪ ঘণ্টা
স্রোতের অনুকূলে যেতে যে সময় লাগে = ক
সুতরাং, যাতায়াতে মোট ২ক + ক = ৩ক ঘন্টা সময়
প্রশ্নমতে, ৩ক = ১২ ঘণ্টা
ক = ৪ ঘণ্টা
৩৮. ১৫টি ভেড়ার মূল্য ৫টি গরুর মূল্যের সমান। ২টি গরুর মূল্য ৩০০০ টাকা হলে ৬টি ভেড়ার মূল্য কত ?
- ১৫০০ টাকা
- ২০০০ টাকা
- ২৫০০ টাকা
- ৩০০০ টাকা
ব্যাখ্যা: ৫ টি গরু = ১৫ টি ভেড়া
১ টি গরু = ১৫÷৫ = ৩ টি ভেড়া
এখানে, ২ টি গরুর মূল্য = ৩০০০ টাকা
তাহলে, ১টি গরু বা ৩টি ভেড়ার মূল্য = ১৫০০ টাকা
সুতরাং ৬টি ভেড়ার মূল্য = ৩০০০ টাকা
১ টি গরু = ১৫÷৫ = ৩ টি ভেড়া
এখানে, ২ টি গরুর মূল্য = ৩০০০ টাকা
তাহলে, ১টি গরু বা ৩টি ভেড়ার মূল্য = ১৫০০ টাকা
সুতরাং ৬টি ভেড়ার মূল্য = ৩০০০ টাকা
৩৯. দুটি রাশির অনুপাত ৮ : ১৫ । পূর্ব রাশি ৪০ হলে, উত্তর রাশি কত ?
- ১২০
- ৭৫
- ৪৫
- ১৫
ব্যাখ্যা: পূর্ব রাশি : উত্তর রাশি = ৮ : ১৫
বা, পূর্ব রাশি / উত্তর রাশি = ৮/১৫
বা, ৪০ / উত্তর রাশি = ৮/১৫
বা, উত্তর রাশি × ৮ = ৬০০
বা, উত্তর রাশি = ৬০০÷৮
∴ উত্তর রাশি = ৭৫
বা, পূর্ব রাশি / উত্তর রাশি = ৮/১৫
বা, ৪০ / উত্তর রাশি = ৮/১৫
বা, উত্তর রাশি × ৮ = ৬০০
বা, উত্তর রাশি = ৬০০÷৮
∴ উত্তর রাশি = ৭৫
৪০. এক দোকানদার ১৫ টাকা ও ২০ টাকা কেজি দরে দুই ধরনের চা কী অনুপাতে মেশালে দাম ১৬ টাকা ৫০ পয়সা হবে ?
- ৭ : ৩
- ৫ : ৭
- ৩ : ৭
- ৪ : ৫
ব্যাখ্যা: মনে করি, ১ম ধরনের চায়ের পরিমাণ ক কেজি।
∴ ২য় ধরনের চায়ের পরিমাণ (১ – ক) কেজি
প্রশ্নমতে, ১৬ক + ২০(১ – ক) = ১৬.৫
বা, ১৫ক + ২০ – ২০ক = ১৬.৫
বা, ৫ক = ৩.৫
বা, ক = ০.৭
∴ ১ম ধরনের চায়ের পরিমাণ ০.৭ কেজি।
∴ ২য় ধরনের চায়ের পরিমাণ (১ – ০.৭) = ০.৩ কেজি।
∴ অনুপাত, ১ম ধরনের চা : ২য় ধরনের চা = ০.৭ : ০.৩ = ৭:৩
∴ ৭:৩ অনুপাতে মিশাতে হবে।
∴ ২য় ধরনের চায়ের পরিমাণ (১ – ক) কেজি
প্রশ্নমতে, ১৬ক + ২০(১ – ক) = ১৬.৫
বা, ১৫ক + ২০ – ২০ক = ১৬.৫
বা, ৫ক = ৩.৫
বা, ক = ০.৭
∴ ১ম ধরনের চায়ের পরিমাণ ০.৭ কেজি।
∴ ২য় ধরনের চায়ের পরিমাণ (১ – ০.৭) = ০.৩ কেজি।
∴ অনুপাত, ১ম ধরনের চা : ২য় ধরনের চা = ০.৭ : ০.৩ = ৭:৩
∴ ৭:৩ অনুপাতে মিশাতে হবে।
৪১. বর্তমানে পিতার বয়স পুত্রের বয়সের ৫ গুণ। তিন বছর পরে, পিতার বয়স পুত্রের বয়সের ৪ গুণ হয়। পিতা ও পুত্রের বর্তমান বয়স কত ?
- ৩৫ বছর, ৭ বছর
- ৫০ বছর, ১০ বছর
- ৪৫ বছর, ৯ বছর
- ২৫ বছর, ৫ বছর
ব্যাখ্যা: মনে করি, পুত্রের বর্তমান বয়স ক বছর
পিতার বর্তমান বয়স ৫ক বছর
তিন বছর পর পুত্রের বয়স (ক + ৩)
তিন বছর পর পিতার বয়স (৫ক + ৩)
প্রশ্নমতে, ৫ক + ৩ = ৪ (ক + ৩)
⇒ ৫ক + ৩ = ৪ক + ১২
⇒ ৫ক – ৪ক = ১২ – ৩
∴ ক = ৯
পিতার বর্তমান বয়স = ৫ × ৯ = ৪৫ বছর
পুত্রের বর্তমান বয়স = ৯ বছর।
পিতার বর্তমান বয়স ৫ক বছর
তিন বছর পর পুত্রের বয়স (ক + ৩)
তিন বছর পর পিতার বয়স (৫ক + ৩)
প্রশ্নমতে, ৫ক + ৩ = ৪ (ক + ৩)
⇒ ৫ক + ৩ = ৪ক + ১২
⇒ ৫ক – ৪ক = ১২ – ৩
∴ ক = ৯
পিতার বর্তমান বয়স = ৫ × ৯ = ৪৫ বছর
পুত্রের বর্তমান বয়স = ৯ বছর।
৪২. ১৫ জন ছাত্রের বয়সের গড় ২৯ বছর। তাদের মধ্যে দুজন ছাত্রের বয়সের গড় ৫৫ বছর। বাকি ১৩ জনের বয়সের গড় কত হবে ?
- ২৯ বছর
- ২৭ বছর
- ২৬ বছর
- ২৫ বছর
ব্যাখ্যা: ১৫ জন ছাত্রের বয়সের গড় ২৯ বছর
অতএব, ১৫ জন ছাত্রের মোট বয়স = (২৯×১৫) = ৪৩৫ বছর
দুজন ছাত্রের বয়সের গড় ৫৫ বছর
দুজন ছাত্রের মোট বয়স (৫৫×২) = ১১০ বছর
অতএব, ১৩ জন ছাত্রের মোট বয়স = (৪৩৫ – ১১০) = ৩২৫ বছর
অতএব, ১৩ জন ছাত্রের বয়সের গড় = (৩২৫÷১৩) = ২৫ বছর
অতএব, ১৫ জন ছাত্রের মোট বয়স = (২৯×১৫) = ৪৩৫ বছর
দুজন ছাত্রের বয়সের গড় ৫৫ বছর
দুজন ছাত্রের মোট বয়স (৫৫×২) = ১১০ বছর
অতএব, ১৩ জন ছাত্রের মোট বয়স = (৪৩৫ – ১১০) = ৩২৫ বছর
অতএব, ১৩ জন ছাত্রের বয়সের গড় = (৩২৫÷১৩) = ২৫ বছর
৪৩. ৪৮০ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ২৮৮ জন পাশ করলে শতকরা কতজন পাশ করল ?
- ৭০%
- ৬০%
- ৫০%
- ২০%
ব্যাখ্যা: ৪৮০ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাস করে = ২৮৮ জন
অতএব, ১ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাস করে = জন
অতএব, ১০০ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাস করে = = ৬০ জন
অতএব, ১ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাস করে = জন
অতএব, ১০০ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাস করে = = ৬০ জন
৪৪. কোন হরমোনের অভাবে ডায়াবেটিস রোগ হয় ?
- ইনসুলিন
- গ্লুকাগন
- থাইরোসিন
- এড্রিনালিন
ব্যাখ্যা: অগ্ন্যাশয়ের আইলেটস অব ল্যাঙ্গারহ্যানস হতে নিঃসৃত এক ধরনের হরমোন যা রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে তাকে ইনসুলিন বলে। এর অভাবে ডায়াবেটিস রোগ হয় ।
৪৫. দূষিত বাতাসের কোন গ্যাসটি মানবদেহে রক্তের অক্সিজেন পরিবহন ক্ষমতা খর্ব করে ?
- কার্বন ডাইঅক্সাইড
- কার্বন মনোঅক্সাইড
- সালফার ডাইঅক্সাইড
- নাইট্রিক অক্সাইড
ব্যাখ্যা: কার্বন বা কার্বন যৌগ বায়ুতে পোড়ালে কার্বন মনোক্সাইড উৎপন্ন হয়। এটি একটি বর্ণহীন, স্বাদহীন, অতি সামান্য গন্ধযুক্ত গ্যাস । এই গ্যাস বেশ বিষাক্ত । শ্বাসের সাথে এই গ্যাস শরীরে অধিক পরিমাণে প্রবেশ করলে যন্ত্রণাহীন মৃত্যু ঘটে থাকে। এজন্য কার্বন মনোক্সাইডকে নীরব ঘাতক বলা হয়।
৪৬. নিচের কোন উক্তিটি সঠিক ?
- বায়ু একটি যৌগিক পদার্থ
- বায়ু একটি মৌলিক পদার্থ
- বায়ু বলতে অক্সিজেন ও নাইট্রোজেনের মিশ্রণকে বোঝায়
- বায়ু একটি মিশ্র পদার্থ
ব্যাখ্যা: দুই বা ততোধিক মৌলিক বা যৌগিক পদার্থ যে কোনো অনুপাতে মেশালে যে পদার্থ উৎপন্ন হয় তার মধ্যে মিশ্রিত পদার্থগুলো নিজ নিজ ধর্ম বজায় রেখে অবস্থান করে, তাকে মিশ্র পদার্থ বলে। বায়ু একটি মিশ্র পদার্থ। বায়ুতে অক্সিজেন, নাইট্রোজেন প্রভৃতি উপাদান থাকে।
৪৭. তামার সাথে নিচের কোনটি মিশালে পিতল হয় ?
- নিকেল
- টিন
- দস্তা
- সীসা
ব্যাখ্যা: পিতলে সাধারণত ৬৭ শতাংশ তামা এবং ৩৩ শতাংশ দস্তা থাকে। তামার সাথে টিন মিশালে কাঁসা তৈরি হয়।
৪৮. কোন মাধ্যমে শব্দের গতি সবচেয়ে বেশি ?
- বাতাস
- লোহা
- পানি
- শূন্য
ব্যাখ্যা: বাতাসে শব্দের বেগ সেকেন্ডে ৩৩২ মিটার মাধ্যমের ভিত্তিতে শব্দের বেগের ক্রম হলো- কঠিন > তরল > বায়বীয়। লোহার শব্দের বেগ বাতাসের শব্দের বেগের ১৫ গুণ। পানিতে শব্দের বেগ বায়ুর তুলনায় প্রায় সাড়ে চার গুণ বেশি। লোহায় শব্দের বেগ ৫১৩০ মি/সে.। পানিতে ১৪৯৪ মি/সে.
৪৯. কাজ করার সামর্থ্যকে বলে–
- শক্তি
- ক্ষমতা
- কাজ
- বল
ব্যাখ্যা: কাজ করার সামর্থ্যকে শক্তি বলে । শক্তির একক জুল। অপরদিকে কোন ব্যক্তি বা বস্তুর কাজ করার হারকে ক্ষমতা বলে। বলঃ যা স্থির বস্তুর ওপর ক্রিয়া করে তাকে গতিশীল করে বা গতিশীল বস্তুর ওপর ক্রিয়া করে আরও গতিশীল করে তাকে বল বলে ।
৫০. ধানের বাদামি দাগ রোগ হয়–
- ভাইরাস দ্বারা
- ব্যাকটেরিয়া দ্বারা
- ব্যাক্টেরিওফাজ দ্বারা
- ছত্রাক দ্বারা
ব্যাখ্যা: ধানের খোলপঁচা রোগ ধানের বাদামি দাগ রোগ ছত্রাকের মাধ্যমে হয়। ১৯৪৩ সালে বাংলায় মহাদুর্ভিক্ষের কারণ ছিল ধানের বাদামি দাগ রোগ ।
৫১. ‘অর্কিড’ কী ধরনের উদ্ভিদ ?
- মৃতজীবী
- পরাশ্রয়ী
- মিথোজীবী
- সবগুলোই সত্য
ব্যাখ্যা: অর্কিড হচ্ছে সপুষ্পক উদ্ভিদের একটি পরিবারের নাম। সিংহভাগ অর্কিডই পরাশ্রয়ী, তবে ভূমিজ অর্কিডও আছে, আছে মৃতজীবীও। পৃথিবীর সব মহাদেশেই অর্কিড দেখা যায় ।
৫২. কম্পিউটার কে আবিষ্কার করেন–
- উইলিয়াম অটরেড
- হাওয়ার্ড এইকিন
- অ্যাবাকাস
- বেইলি প্যাসকেল
ব্যাখ্যা: প্রথম ইলেকট্রনিক কম্পিউটার Mark-1 এর প্রধান প্রকৌশলী ছিলেন হাওয়ার্ড এইকিন।
৫৩. কম্পিউটারের হার্ডওয়্যারের মধ্যে থাকে—
- ৫টি অংশ
- ৪টি অংশ
- ৩টি অংশ
- ৬টি অংশ
ব্যাখ্যা: কম্পিউটার হার্ডওয়ারের প্রধানত ৩টি অংশ থাকে যেমন-১। ইনপুট ইউনিট; ২। কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ ইউনিট; ৩। আউটপুট ইউনিট।
৫৪. সরকার রাষ্ট্র গঠনের কততম উপাদান ?
- প্রথম
- দ্বিতীয়
- চতুর্থ
- তৃতীয়
ব্যাখ্যা: রাষ্ট্র গঠনের মূল উপাদান ৪টি। উপাদানগুলো হলো : ১. নির্দিষ্ট ভূখণ্ড ২. জনগণ ৩. সরকার এবং ৪. সার্বভৌমত্ব ।
৫৫. মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বের জন্য কয়জনকে সর্বোচ্চ সম্মান ‘বীরশ্রেষ্ঠ’ খেতাব দেওয়া হয় ?
- ৮ জন
- ৭ জন
- ১০ জন
- ৯ জন
ব্যাখ্যা: ১৯৭৩ সালের ১৫ ডিসেম্বর বীর মুক্তিযোদ্ধাদের মধ্যে ৬৭৬ জনকে বিভিন্ন খেতাব প্রদান করা হয়। চারটি ভাগে বিভক্ত করে তাদের রাষ্ট্রীয় খেতাব প্রদান করা হয়। এর মধ্যে সর্বোচ্চ খেতাব ‘বীরশ্রেষ্ঠ’ প্রদান করা হয় ৭ জনকে। ৭ জনের মাঝে ৩ জন সেনাবাহিনী, ২ জন ইপিআর, ১ জন নৌবাহিনী ও ১ জন বিমান বাহিনীর সদস্য ছিলেন ।
৫৬. বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমানের পদবি কী ছিল ?
- ক্যাপ্টেন
- হাবিলদার
- সিপাহি
- ল্যান্স নায়ক
ব্যাখ্যা: বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমানের পদবী ছিলো সিপাহি। তার জন্মস্থান ঝিনাইদহ জেলার মহেশপুর উপজেলার খদ্দখালিশপুর গ্রামে।
৫৭. উন্নত প্রথায় শিক্ষা দেওয়া বলতে কী বোঝায় ?
- শিক্ষা গ্রহণে সাহায্য
- ছাত্রদের তৈরি ও পাশে সাহায্য
- ক্লাসে প্রশ্ন করা ও পরীক্ষা নেওয়া
- পাঠ্য বইয়ে যা আছে সে সম্পর্কে বলা
ব্যাখ্যা: উন্নত প্রথায় শিক্ষা দেয়া বলতে বোঝায় – শিক্ষা গ্রহণে সাহায্য।
৫৮. শিক্ষক সবচেয়ে বেশি শিখতে পারেন কার কাছ থেকে ?
- প্রধান শিক্ষক
- বই
- শুভানুধ্যায়ী
- ছাত্র
ব্যাখ্যা: শিক্ষক সবচেয়ে বেশি শিখতে পারেন বইয়ের কাছ থেকে। বই এমন একটি উপকরণ, যা একজন মানুষকে সহজেই আলোকিত করে তুলতে পারে। শিক্ষার আলো, নীতি – নৈতিকতা – আদর্শ, ইতিহাস – ঐতিহ্য, কৃষ্টি – সভ্যতা, সাহিত্য – সংস্কৃতিসহ সবকিছুই রয়েছে বইয়ের ভেতরে।একমাত্র বইয়ের মধ্যেই আছে সব ধরনের জ্ঞান। তাই জীবনের জন্য বই প্রয়োজন। প্রত্যেকের জীবনেই একঘেয়েমি, দুঃখ – কষ্ট, অস্থিরতা, মানসিক সমস্যাসহ নানা সমস্যা থাকে। কিন্তু বই পড়লে সেসব চিন্তা মাথায় থাকে না। অবসর সময়গুলো বিনোদনের মাধ্যমে কাটানোর জন্য কত কিছুই না আবিষ্কৃত হয়েছে পৃথিবীতে, কিন্তু বই পড়ার মতো নির্মল আনন্দের সমতুল্য হতে পারেনি কিছুই ।
৫৯. ১, ২, ৩, ৫, ৮, ১৩, ২১, ৩৪……… ধারাটির পরবর্তী সংখ্যা কত ?
- ৪০
- ৫৫
- ৬৯
- ৯৫
ব্যাখ্যা: উক্ত ধারাটিতে প্রতিটি পদের সাথে পূর্ববর্তী পদ যোগ করলে পরবর্তী সংখ্যা পাওয়া যায়। ∴ ২১ + ৩৪ = ৫৫ ।
৬০. নিচের কোন সংখ্যাটি ক্ষুদ্রতম ?
ব্যাখ্যা: = ০.২৮৫৭
= ০.৫
= ০.২৩৮১
= ০.৩৩৩৩
এখানে দেখা যাচ্ছে এর মান সবথেকে কম। তাই হলো ক্ষুদ্রতম সংখ্যা।
= ০.৫
= ০.২৩৮১
= ০.৩৩৩৩
এখানে দেখা যাচ্ছে এর মান সবথেকে কম। তাই হলো ক্ষুদ্রতম সংখ্যা।
৬১. চন্দ্র ও সূর্য, জল ও স্থলকে আকর্ষণ করে বলে পানি ফুলে ওঠে; পানির এ ফুলে উঠাকে বলে–
- জোয়ার
- ভাঁটা
- স্রোত
- বাণ
ব্যাখ্যা: চন্দ্র ও সূর্য; জল ও স্থলকে আকর্ষণ করে বলে পৃথিবীর কোথাও পানি ফুলে উঠে আবার কোথাও পানি নেমে যায়। পানির ফুলে উঠাকে জোয়ার আর নেমে যাওয়াকে ভাঁটা বলে। কোন নির্দিষ্ট স্থানে দিনে ২বার জোয়ার হয়। জোয়ারের ৬ ঘণ্টা ১৩ মিনিট পরে ভাটা হয় ।
৬২. এশিয়ার দক্ষিণ ভাগ দিয়ে অতিক্রম করেছে–
- মূল মধ্যরেখা
- কর্কট ক্রান্তি
- মকর ক্রান্তি
- বিষুব রেখা
ব্যাখ্যা: এশিয়ার দক্ষিণভাগ দিয়ে অতিক্রম করেছে। কর্কটক্রান্তি রেখা। নিরক্ষরেখা হতে ২৩.৫° উত্তর অক্ষাংশকে কর্কটক্রান্তি রেখা বলে ।
৬৩. পৃথিবীর নিজ অক্ষে আবর্তনের দিক-
- পূর্ব হতে পশ্চিম দিকে
- পশ্চিম হতে পূর্ব দিকে
- দক্ষিণ হতে উত্তর দিকে
- উত্তর হতে দক্ষিণ দিকে
ব্যাখ্যা: পৃথিবী নিজ মেরুরেখায় পশ্চিম হতে পূর্ব দিকে আবর্তন করতে ২৪ ঘণ্টা সময় নেয়। পৃথিবীর এই গতিকে আহ্নিক গতি বলে। এজন্যই সূর্য পূর্ব দিকে উদিত হয় ।
৬৪. মেরু রেখা বা অক্ষের উত্তর প্রান্ত বিন্দুকে বলা হয়—
- কুমেরু
- বিষুব রেখা
- সুমেরু
- দ্রাঘিমা রেখা
ব্যাখ্যা: মেরু রেখা বা অক্ষের উত্তর প্রান্ত বিন্দুকে সুমেরু বলে। এর অক্ষাংশ ৯০° উত্তর। মেরু রেখা বা অক্ষের দক্ষিণ প্রান্ত বিন্দুকে কুমেরু বলে। এর অক্ষাংশ ৯০° দক্ষিণ।
৬৫. প্রধান নির্বাচন কমিশনারের মেয়াদকাল কত ?
- ৫ বছর
- ৪ বছর
- ৩ বছর
- ৭ বছর
ব্যাখ্যা: বাংলাদেশের সংবিধানের ১১৮(৩) নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, নির্বাচন কমিশনারের মেয়াদ পাঁচ (৫) বছর। বাংলাদেশের ১৪তম বা বর্তমান প্রধান নির্বাচন কমিশনার হলেন এ এম এম নাসির উদ্দিন। তিনি ২০২৪ সালের ২১ নভেম্বর তারিখে বাংলাদেশের প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) হিসেবে নিয়োগ লাভ করেন।
৬৬. ঢাকার বিখ্যাত ‘তারা মসজিদ’ তৈরি করেন-
- খান সাহেব আবুল হাসনাত
- মির্জা আহমেদ জান
- নওয়াব সলিমুল্লাহ
- শায়েস্তা খান
ব্যাখ্যা: তারা মসজিদ পুরান ঢাকার আরমানিটোলায় আবুল খয়রাত সড়কে অবস্থিত। পূর্বে মসজিদটি ছিল তিন গম্বুজ বিশিষ্ট। ১৯৮৭ সালে তিন গম্বুজ থেকে পাঁচ গম্বুজ করা হয়।
৬৭. বাংলাদেশে চীনামাটির সন্ধান পাওয়া গেছে-
- রানীগঞ্জে
- বিজয়পুরে
- টেকের হাটে
- বিয়ানী বাজারে
ব্যাখ্যা: বাংলাদেশে সর্বপ্রথম ১৯৫৭ সালে নেত্রকোনো জেলার দুর্গাপুর উপজেলার বিজয়পুরে চীনামাটির সন্ধান পাওয়া যায়। এছাড়া নওগাঁর পত্নীতলা, দিনাজপুরের মধ্যপাড়া ও বড়পুকুরিয়া এবং জয়পুরহাটের পাঁচবিবিতে চীনামাটি পাওয়া যায় ।
৬৮. হিজরি সাল গণনা শুরু হয় কোন সালে ?
- ৬০২ সালে
- ৬১২ সালে
- ৬২২ সালে
- ৬২৩ সালে
ব্যাখ্যা: মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা) ৬২২ খ্রিস্টাব্দে মক্কা থেকে মদিনায় হিজরত করেন। এই ঘটনাকে চিরস্মরণীয় করে রাখার উদ্দেশ্যেই হিজরি সাল গণনার সূচনা। ইসলামের দ্বিতীয় খলিফা হযরত ওমর (রা) এর শাসনামলে চন্দ্র মাসের হিসেবে এই পঞ্জিকা প্রবর্তন করা হয় ।
৬৯. প্রথম বিশ্বযুদ্ধ শুরু হয় কোন সালে-
- ১৯০৪ সালে
- ১৯১৪ সালে
- ১৯১৫ সালে
- ১৯১৬ সালে
ব্যাখ্যা: প্রথম বিশ্বযুদ্ধ শুরু হয় ২৮ জুলাই ১৯১৪ সালে এবং শেষ হয় ১১ নভেম্বর ১৯১৮ সালে। প্রথম বিশ্বযুদ্ধে মিত্রশক্তি ছিল ব্রিটেন, ফ্রান্স, সার্বিয়া, বেলজিয়াম ও রাশিয়া। অক্ষশক্তিতে ছিল জার্মানি, অস্ট্রিয়া, হাঙ্গেরি, তুরস্ক ও বুলগেরিয়া। উল্লেখ্য দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের মেয়াদকাল ছিল (১৯৩৯ – ১৯৪৫)
৭০. যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতা সংগ্রামের নায়ক-
- জর্জ ওয়াশিংটন
- আব্রাহাম লিঙ্কন
- রুজভেল্ট
- কলম্বাস
ব্যাখ্যা: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ১৭৭৬ সালের ৪ জুলাই স্বাধীনতা ঘোষণা করে। ১৯ অক্টোবর, ১৭৮১ সালের ব্রিটিশ সেনাপ্রধান লর্ড কর্নওয়ালিশ মার্কিন সেনাপ্রধান জর্জ ওয়াশিংটনের কাছে আত্মসমর্পন করেন। জর্জ ওয়াশিংটনকে যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতা সংগ্রামের নায়ক বা সর্বাধিনায়ক বলা হয়। তিনি ছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম প্রেসিডেন্ট। আব্রাহাম লিঙ্কন যুক্তরাষ্ট্রের ১৬তম প্রেসিডেন্ট। তিনি ১৮৬৩ সালে ক্রীতদাস প্রথা বিলুপ্ত করেন। কলম্বাস ১৪৯২ সালে আমেরিকা আবিষ্কার করেন। থিওভোর রুজভেল্ট যুক্তরাষ্ট্রের ২৬তম প্রেসিডেন্ট। ফ্রাঙ্কলিন ডি. রুজভেল্ট যুক্তরাষ্ট্রের ৩২তম প্রেসিডেন্ট। আব্রাহম লিঙ্কন যুক্তরাষ্ট্রের ১৬তম প্রেসিডেন্ট। আব্রাহাম লিঙ্কন ১৮৪৩ সালে দাস প্রথার অবসনে ঘটিয়ে ইতিহাস জায়গা করে নেন ।
৭১. ধ্রুবতারা দেখা যায়-
- পূর্ব গোলার্ধে
- পশ্চিম গোলার্ধে
- উত্তর গোলার্ধে
- সব গোলার্ধে
ব্যাখ্যা: পৃথিবীর উত্তর মেরুর অক্ষ বরাবর দৃশ্যমান তারা ধ্রুবতারা নামে পরিচিত। রাত বাড়ার সাথে সাথে আকাশের দৃশ্যমান সকল তারা তাদের অবস্থান পরিবর্তন করে। শুধুমাত্র ধ্রুবতারাই মোটামুটি একই স্থানে দৃশ্যত থাকে।
৭২. উপগ্রহের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি কোন গ্রহের ?
- শনির
- বুধের
- নেপচুনের
- বৃহস্পতিবার
ব্যাখ্যা: ২০১৮ সাল পর্যন্ত বৃহস্পতির উপগ্রহ সংখ্যার সন্ধান পাওয়া যায় ৭৯টি যা অন্য যেকোন গ্রহ থেকে বেশি।
৭৩. কে লাহোর প্রস্তাব উত্থাপন করেন ?
- মুহাম্মদ আলী জিন্নাহ
- এ. কে. ফজলুল হক
- খাজা নাজিম উদ্দিন
- শহীদ সোহরাওয়ার্দী
ব্যাখ্যা: ২৩ মার্চ, ১৯৪০ সালে লাহোর প্রস্তাব উত্থাপন করেন শেরেবাংলা এ কে ফজলুল হক। লাহোর প্রস্তাবের মূল দাবি ছিল মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ এলাকাসমূহে একাধিক স্বাধীন রাষ্ট্র গঠন করা। এ কে ফজলুল হক অবিভক্ত বাংলার প্রথম মুখ্যমন্ত্রী। → মুহাম্মদ আলী জিন্নাহ : পাকিস্তানের জনক ও প্রথম গভর্নর জেনারেল। → হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী : অবিভক্ত বাংলার শেষ মুখ্যমন্ত্রী। → খাজা নাজিম উদ্দীন : পূর্ববাংলা বা পূর্বপাকিস্তানের প্রথম মুখ্যমন্ত্রী।
৭৪. ইসলামী সম্মেলন (বর্তমানে সহযোগিতা) সংস্থার প্রধান কার্যালয় কোথায় ?
- জেদ্দা
- তেহরান
- কায়রো
- রিয়াদ
ব্যাখ্যা: OIC এর পূর্ণরূপ Organization of Islamic Co-operation. OIC গঠিত হয় ২৫ সেপ্টেম্বর ১৯৬৯ সালে। OIC’র সদর দপ্তর জেদ্দা, সৌদি আরব। OIC’র প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য ছিল ৩০টি। বর্তমান সদস্য সংখ্যা ৫৭ ।
৭৫. ‘ডেইলি মিরর’ পত্রিকা কোথা থেকে প্রকাশিত হয় ?
- ওয়াশিংটন
- মস্কো
- লন্ডন
- সিঙ্গাপুর
ব্যাখ্যা: ‘ডেইলি মিরর’ একটি ব্রিটিশ দৈনিক পত্রিকা। পত্রিকাটি ১৯০৩ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। প্রধান কার্যালয় লন্ডনে অবস্থিত। ডেইলি মিরর এর প্রতিষ্ঠাতা Alfred Harmsworth। যুক্তরাজ্যের কিছু দৈনিক পত্রিকা হল দ্য গার্ডিয়ান, ডেইলি স্টার। সাপ্তাহিক পত্রিকা দ্য ইকোনোমিস্ট, সানডে টাইমস ।
৭৬. বেতার যন্ত্র আবিষ্কার করেন-
- জগদীশ চন্দ্র বসু
- ফ্যারাডে
- গ্রাহাম বেল
- মার্কনী
ব্যাখ্যা: ইতালীয় উদ্ভাবক এবং প্রকৌশলী গুলিয়েলমো মার্কনী বেতার যন্ত্র আবিষ্কার করেন। ১৯০৯ সালে তিনি পদার্থে নোবেল পান। বাংলাদেশী বিজ্ঞানী জগদীশ চন্দ্র বসু প্রথম প্রমাণ করে দেখিয়েছিলেন উদ্ভিদের প্রাণ আছে। এছাড়াও তিনিই প্রথম রেডিও আবিষ্কার করেছিলেন কিন্তু স্বীকৃতি পান নি ।
৭৭. বৈদ্যুতিক ক্ষমতার একক-
- ওহম
- ওয়াট
- ভোল্ট
- অ্যামপিয়ার
ব্যাখ্যা: প্রতি সেকেন্ডে এক জুল কাজ করার ক্ষমতাকে এক ওয়াট বলে। বৈদ্যুতিক ক্ষমতার একক ওয়াট। রোধ পরিমাপের একক ওহম। বিদ্যুৎ প্রবাহের একক অ্যামপিয়ার। তড়িৎ বিভব পার্থক্য, তড়িচ্চালক বল, ভোল্টেজ, বৈদ্যুতিক বিভবের একক হচ্ছে ভোল্ট।
৭৮. অ্যানিমিয়া রোগ হয়-
- লৌহের অভাবে
- ক্যালসিয়ামের অভাবে
- আয়োডিনের অভাবে
- খাদ্য লবণের অভাবে
ব্যাখ্যা: লৌহ রক্তের একটি প্রধান উপাদান। একজন প্রাপ্তবয়স্ক পুরুষের ৯ mg এবং স্ত্রীলোকের ২৮ mg লৌহের প্রয়োজন। লৌহের অভাবে অ্যানিমিয়া রোগ হয়। অ্যানিমিয়া রোগটির অপর নাম রক্ত স্বল্পতা ।
৭৯. সকল সপুষ্পক উদ্ভিদ হচ্ছে-
- মিথোজীবী
- পরভোজী
- পরজীবী
- স্ব-ভোজী
ব্যাখ্যা: সপুষ্পক উদ্ভিদ স্বভোজী কেননা এদের দেহে সবুজ ক্লোরোফিল রয়েছে।
৮০. কোন রক্ত গ্রুপকে সর্বজনীন গ্রহীতা বলে ?
- A রক্ত গ্রুপকে
- B রক্ত গ্রুপকে
- AB রক্ত গ্রুপকে
- O রক্ত গ্রুপকে
ব্যাখ্যা: AB গ্রুপ সব গ্রুপ থেকে রক্ত নিতে পারে কারন এই গ্রুপে কোনো এন্টিবডি নেই শুধু এন্টিজেন থাকে। আবার O রক্ত গ্রুপকে সর্বজনীন দাতা বলে কারণ এই গ্রুপে সব এন্টিবডি থাকে কিন্তু কোন এন্টিজেন থাকে না ।
setTimeout(function() {
// Add the Font Awesome stylesheet dynamically
var link = document.createElement(‘link’);
link.rel = ‘stylesheet’;
link.href = ‘https://cdnjs.cloudflare.com/ajax/libs/font-awesome/6.0.0-beta3/css/all.min.css’;
document.head.appendChild(link);
}, 3000); // Delay of 3 seconds






